শহীদ ড. শামসুজ্জোহার স্মরণে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা

শহীদ ড. শামসুজ্জোহার স্মরণে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোচনা সভা

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) শহীদ ড. শামসুজ্জোহার স্মরণে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ শামসুজ্জোহার কন্যা সাবিনা জোহা খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত উপাচার্য প্রফেসর ড. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আনন্দ কুমার সাহা, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ফয়জার রহমান, রিসার্চ ও ক্যারিয়ার সেন্টারের ডিরেক্টর প্রফেসর ড. এ এইচ এম রহমতউল্লাহ ইমন, প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. হাবিবুল্লাহ এবং রেজিস্ট্রার সুরঞ্জিত মণ্ডলসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান , শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ শামসুজ্জোহার আত্মত্যাগ ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদানের কথা বিশেষভাবে তুলে ধরেন। স্মৃতিচারণ করে তাঁর কন্যা সাবিনা জোহা খান বলেন, 'আমার বাবা শিক্ষার্থীদের পরম বন্ধু ছিলেন, তিনি শিক্ষার্থীদের জীবন রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি চাইলেই সেদিন নিজের প্রাণ বাঁচাতে পারতেন, কিন্তু তা করেননি। আমার বাবা ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্র আন্দোলনের সময় ততৎকালীন সেনাবাহিনীর গুলিতে শহীদ হন । তিনি বাংলাদেশের প্রথম শহীদ শিক্ষক। আমি উনার সন্তান হিসেবে গর্ববোধ করি।'

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা বলেন, 'শহীদ শামসুজ্জোহার আত্মত্যাগ জাতির জন্য চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। শিক্ষার্থীদের জন্য একজন শিক্ষকের এমন আত্মত্যাগ ইতিহাসে বিরল। আমরা এমন মৃত্যুঞ্জয়ী শিক্ষকে নিজেদের অনুপ্রেরণা মনে করি। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতি বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি ‘শহীদ জোহা দিবস’ পালিত হয়।'